এইচ এস সি সাজেশন বাংলা ১ম পত্র ২০২০ ঢাকা বোর্ড

এইচ এস সি সাজেশন বাংলা ১ম পত্র ২০২০ ঢাকা বোর্ড    

এইচ এস সি সাজেশন বাংলা ১ম পত্র ২০২০ ঢাকা বোর্ড

বাংলা ১ম পত্র সাজেশন ১০০% গুরুত্বপূর্ণ টপিক অনুযায়ী দেওয়া হলো....।
⃣ঢাকা বোর্ড
★ গদ্যাংশ
১.অপরিচিতা
২.অামার পথ
৩.জীবন বৃক্ষ
৪.রেইনকোট
৫.নেকলেস
৬.আহবান

★ কবিতাংশ
১.ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
২.ঐকতান
৩.সাম্যবাদী
৪.বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ
৫.নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
৬.সেই অস্ত্র

এইচ এস সি বাংলা ১ম পত্র সাজেশন ২০২০-ঢাকা বোর্ড


🎴লালসালু ( MCQ কমন ৯০% প্রায় )
১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ জন্মগ্রহন করেন- চট্রগ্রামে।
২।সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজি ভাষায় অনুদিত হয়- লালসালু।
৩। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কর্মজীবন শুরু করেন- সাংবাদিক হিসেবে।
৪। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন- ১৯৭১ খ্রিষ্ট্রাব্দ।
৫।বাংলাদেশের কথাসাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ ছিলেন- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৬। ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়- ১৯৬৮ সালে।
৭। ‘নয়নচতারা’ গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়- ১৯৪৬ সালে।
৮।‘লালসালু’ উপন্যাস অনুযায়ী কী না হলে বিদেশে এক পাও চলে না- বদনা।
৯। নোয়াখালি অঞ্চলে শস্যের চেয়ে বেশি- টুপি।
১০। ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’ – বলা হয়েছে- শস্যহীন বলে।
১১।মজিদের শারীরিক গড়ন-শীর্ণকায়।
১২। মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ উম্মোচিত হয়েছে- মিথ্যাচার চরিত্রে।
১৩। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানেুষ আসতে লাগে- মাজারে মানত করতে।
১৪। মজিদ ভয় দেখেছে- রহিমার চোখে।
১৫। দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে –কলমা জানে না তাই।
১৬। মজিদের শক্তির মূল উৎস- মাজার।
১৭। মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ হল- রহিমার্ চরিত্রটি
১৮। ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা গিয়েছিল- মজিদের বাড়িতে।
১৯। ঝড় এলে হাসুনির মায়ের অভ্যাস ছিল- হৈ চৈ করা।
২০। মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে চেয়েছিল- তামাক।
২১। মহিদ হাসুনির মাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল- বেগুনি রঙ্গের।
২২। মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায়- অন্য পীরদের আধিপত্য।
২৩।‘পাথর এবার হঠাৎ নড়ে’।– পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে- মজিদকে।
২৪। আমেনা বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিল – মা হওয়ার আশায়।
২৫। মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা ছিল- নাটকীয়।
২৬। জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার যে অসংগতির শিকার- বাল্যবিবাহ।
২৭। খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল- ছেলের মৃত্যুতে।
২৮।‘লালসালু’ উপন্যাসে যে পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে-ডোমপাড়া।
২৯। যার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৩০।মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিল তার তদারকির দায়িত্ব ছিল- রহিমা ও জমিলার।
৩১। জিকির করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল- আমেনা বিবি।
৩২। এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে- সিংহের।
৩৩। মজিদের মুখে থুথু ফেলেছিল- জমিলা।
৩৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ্য রয়েছে- বালা।
৩৫। সহজ প্রাণধর্মের উজ্জ্বল প্রতীক -জমিলা।
৩৬। গ্রামবাসীর অন্তর জর্জরিত হয়ে ওঠে - অনুশোচনায়।
৩৭। মজিদের শক্তি প্রতিফলিত হয়- গ্রামবাসীর ওপর।
৩৮। বুড়ো, হাসুনির মাকে বেধড়ক প্রহার করে- ঘরের কথা মজিদকে বলায়।
৩৯। মজিদকে শিকড়গাড়া বৃক্ষ করতে সক্রিয় ছিল- ধর্ম।
৪০। মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল- মতিগঞ্জের সড়কের ওপর ।
৪১। আমেনা বিবির প্রতি মজিদের যে দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পেয়েছে- লালসা।
৪২। খালেক ব্যাপারীর সামনে বসে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে- ধলা মিঞা।
৪৩। শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে – জমিলার চোখ ।
৪৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মুখে জমিলার থুথু নিক্ষেপে প্রকাশ পেয়েছে- ক্রোধ।
৪৫। মজিদ পূর্বে যেখানে বাস করত- মধুপুর গড়ে।
৪৬। মজিদের দুদু মিয়াকে শাসনের মধ্যে নিহিত- আধিপত্য বিস্তার।
৪৭। রহিমার কাছে নিজের মৃত্যু কামনা করে- জমিলা।
৪৮। প্রথম যৌবনে মজিদ যেমন বৌ এর স্বপ্ন দেখতো-জমিলার মতো।
৪৯। ঢেঙ্গা বুড়োর বিচারে মজিদ যে সূরা পাঠ করেছিল- সূরা আন-নূর।
৫০। ‘ বতর’ শব্দের অর্থ- ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।
৫১। ‘ওনারে কইবেন, আমার যেন মওত হয়।’ আর্জিটি করেছিল- হাসুনির মা।
৫২। মাঠের ধান নষ্ট হয়ে যায়- শিলা বৃষ্টি হলে।
৫৩। ‘শস্যের চেয়ে টুটি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি’ বলতে বোঝানো হয়েছে- ধর্মীয় গোঁড়ামী।
৫৪। গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই- অন্য সংস্করণ।
৫৫। বিশ্বাসের পাথরে যেন- খোদাই করা চোখ।
৫৬। ঘরের ম্লান আলোয় কবরের সেই অনাবৃত অংশটা - মৃত মানুষের খোলা চোখের মতো দেখায়।
৫৭। আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল – ১৩ বছর বয়সে।
৫৮।  মোনাজাত শেষে মজিদ পা ফেলছিল – উত্তর দিকে।
৫৯। আমেনা বিবি ও রহিমার মধ্যে মিল রয়েছে – নিঃসন্তানের দিকটা।
৬০। ঘুমকাতুরে- জমিলা।
৬১। খালেক ব্যাপারীর মতে আক্কাস দাড়ি রাখেনি- ইংরেজি পড়েছে বলে।৬২। গ্রামে হিড়িত পড়েছে- মসজিদ স্থাপনের।৬৩। আমেনা বিবির আনন্দ আর সুখের নিশানা- থোতা মুখের তালগাছ।
৬৪। আওয়ালপুরের পীরের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে- ধর্মব্যবসা।
৬৫।আওয়ালপুরের পীর আছরের সময় যে নামাজ পেয়েছে- জোহর।
৬৬। মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিল- সমবেদনা প্রকাশ করতে।
৬৭। আওয়ালপুরের পীরের প্রতি আমেনার প্রকাশ পেয়েছে- অন্ধবিশ্বাস।
৬৮। খালেক ব্যাপারি সঙ্গে ধলা মিয়ার সম্পর্ক ছিল- শ্যালক।
৬৯। ধলা মিয়াকে ব্যাপারী আওয়ালপুরে যেতে বলেছিল- পানিপড়া আনতে।
৭০। ধলা মিয়ার দেবংশি তেঁতুল গাছকে ভয় পাওয়ার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে - কুসংস্কার বিশ্বাস।
৭১। মজিদ বারবার ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলায় প্রকাশ পেয়েছে- দৃঢ়তা।
৭২। আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ আখ্যা দিয়েছে - ইবলিশ।
৭৩। খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভায় পায় -ধর্মভীতির কারণে।
৭৪। ‘আমেনা’ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য- নিঃসন্তান।
৭৫। ঢেঙ্গা বুড়োর স্ত্রীর জানাজা পাড়ানোর কথা ছিল- মোল্লা শেখের।
৭৬। “তানি যে খোদার মানুষ” উক্তিটি হল - রহিমার।
৭৭। উঠানোর পথটুকু পাড়ি দিতে আমেনা বিবি পরিপ্রান্ত বোধ করে- অসুস্থাতায়।
৭৮। আমেনা বিবি মজিদের কাছে চড়ে গিয়েছিল- পালকি।
৭৯। আমেনা বিবিকে পালকি থেকে নামিয়ে মজিদ যেতে বলেছিলেন- মাজারে।
৮০। মজিদ বার বার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল- রূপের মোহে।
৮১। মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায় – ধর্মভীতির কারণে।
৮২। আমেনা বিবি মাজারে পাক শুরু করেছিল- ডান দিক থেকে।
৮৩। রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো দেখেছিল- বেড়ার ফুটো দিয়ে।
৮৪। আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মূর্ছা গিয়েছিল- শারীরিক দুর্বলতায়।
৮৫। খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে- সন্দেহে।
৮৬। আমেনা বিবির ক্ষেত্রে প্রজোয্য- স্বামীভীরু।
৮৭। যে গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌছেছে- তালগাছ।
৮৮।মোদাব্বের মিয়ার ছেলের নাম- আক্কাস।
৮৯। মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রে উম্মোচিত হয়েছে- শোষণ।
৯০। ‘পুলক’ শব্দের অর্থ- আনন্দ।
৯১।“বেত্তমিজের মতো কথা কইস না” উক্তিটি যার সম্পর্কে করা হয়েছিল- আক্কাস।
৯২।মহব্বতনগর গ্রামের বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিল - খালেক ব্যাপারী।
৯৩। মহব্বতনগর গ্রামে মসজিদ নির্মাণে তদারকিতে ছিল- মজিদ।
৯৪। সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ ছিল- মজিদ।
৯৫। মজিদের যশ, খ্যাতির উৎস –পুরনো কবরটি।
৯৬। মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ- নিঃসন্তান হওয়ায়।
৯৭। যার বিলাপে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৯৮। রহিমা পোষ্য রাখতে চায়- হাসুনিকে।
৯৯। “মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে” এখানে অন্য কথা বলতে বোঝানো হয়েছে- দ্বিতীয় বিয়ে।
১০০।  ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু- গ্রামীণ জীবন, কুসংস্কার ও গোঁড়ামি।

এইচ এস সি বাংলা ১ম পত্র সাজেশন ২০২০-ঢাকা বোর্ড


🎴সিরাজউদ্দৌলা (MCQ ৯০% কমন প্রায়)
১। ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের স্থান – ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ
২। সিকানদার আবু জাফর জম্মগ্রহণ করেন- সাতক্ষীরা জেলায়         
৩। কলকাতার নাম আলিনগর ঘোষনা করেন- সিরাজউদ্দৌলা           
৪। আমি চিরকালই ইংরেজের বন্ধু। মৃত্যু পর্যন্ত এই বন্ধত্ব আমি বজায় রাখিব। কথাটি বলেছেন- উমিচাঁদ
৫। ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকে প্রথম চরিত্র- ক্লেটন
৬। আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করা হয়- রাজা মানিকচাঁদকে
৭। “সিরাজের পতন কে না চায়” উক্তিটি- ঘষেটি বেগমের
৮। ‘প্রাণপনে যুদ্ধকরো, সাহসী বিট্রিশ সৈনিক’ কথাটি- ক্যাপ্টেন ক্লেটনের
৯। সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দৃশ্য- ১২ টি
১০। নবাবের রাজধানী- মুর্শিদাবাদে
১১। মোহাম্মদি বেগ সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল- দশ হাজার টাকার বিনিময়ে।
১২। ‘যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যুবরণ, এই আমাদরে প্রতিজ্ঞা।’ কথাটি- ক্লেটনের
১৩। নবাবের পদাতিক বাহিনী যে রাস্তা দিয়ে চলে এসেছে- দমদমের সরু রাস্তা দিয়ে
১৪। নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী যে খাল পেরিয়ে ইংরেজ দুর্গের দিকে আসে- শিয়ালদহের মারাঠা খাল
 ১৫। “ কাপুরুষ বেইমান, জ্বলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়ে যায়।” যাদের উদ্দেশ্যে ক্লেটন বলেছিল- মিনচিন, ফ্রাঙ্কল্যান্ড, ম্যানিংহাম
১৬। ইংল্যান্ডের বীর সন্তান বলে পরিচয় দেয়- ক্লেটন
১৭। উইলিয়াম ওয়াটস ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর  যে এলাকার কুঠির পরিচালক ছিল- কাশিমবাজার
১৮। হলওয়েল যে কল্পিত ঘটনা প্র্রচার করে- অন্ধকূপ হত্যা
১৯। “আপনি নবাবের সেনাধ্যক্ষ রাজা মানিকচাঁদের কাছে একখানা পত্র লিখে পাঠান।” সংলাপাটি – উমিচাঁদকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে।
 ২০। রেজার ড্রেক ও ক্লেটনের উপাধি যথাক্রমে- গভর্নর ও ক্যাপ্টেন।
২১। “ আমিই এখন কমান্ডার-ইন-চিফ।” উমিচাঁদ বলেছেন – হলওয়েলকে উদ্দেশ্য করে
২২।“কোম্পানীর ঘুষখোর ডাক্তার রাতারাতি সেনাধ্যক্ষ হয়ে বসেছেন।” হলওংয়েল উদ্দেশ করে উক্ত সংলাপটি করেছেন- নবাব সিরাজউদ্দৌলা
২৩। ইংরেজরা আত্মরক্ষার নামে গোপন অস্ত্র আমদানি করেছিল- কাশিমবাজারে
২৪। “নবাব আলিবর্দি আমাদের বাণিজ্য করার অনুমতি দিয়েছেন।” সিরাজকে উদ্দেশ্য করে সংলাপটি করেন-  হলওয়েল
 ২৫। “ফরাসিরা ডাকাত! আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?’’ হলওয়েলকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন- নবাব সিরাজ
২৬।“নাসারার দুর্গ এই ফোর্ট উইলিয়ামের ভেতরে একটি মসজিদ তৈরি হবে।” এই আয়োজন করতে বলা হয়েছে- মিরমর্দানকে
 ২৭। ক্লেটন, জর্জ, হলওয়েল এরা সম্মিলিতভাবে নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়- ফোর্ট ‍উইলিয়াম দুর্গে
২৮। মিরজাফরের প্রকৃত নাম – মিরজাফর আলি খান ২
২৯। মিরজাফর ভারতবর্ষে আসেন- পারস্য থেকে
 ৩০। কলকাতা থেকে তাড়া খেয়ে ইংরেজরা আস্তানা গেড়েছে- ভাগীরথী নদীতে ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে।
৩১। ‘এত অধৈর্য হলে চলবে কেন?সংলাপটি কিলপ্যাট্রিক কাকে উদ্দেশ্য করে বলেন- হ্যারি।
 ৩২। জগৎশেঠ ছিলেন- নবাবের সেনাপতি মানিকচাঁদের ভ্রাতুস্পুত্র।
৩৩। ফতেহচাঁদকে ‘জগৎশেঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়-১৭২৩ সালে।
৩৪। ভাগীরথী নদীতে অবস্থানরত ইংরেজদের জাহাজ থেকে কলকাতার দূরত্ব ছিল- চল্লিশ মাইলের ভেতরে।
৩৫। নারায়ণ সিংহ যে ছদ্মনামে ইংরেজদের ষড়যন্ত্রের খবর নবাবকে জানাতেন- রাইসুল জুহালা
৩৬। বিশ্বাসঘাতক ও অর্থলোলুপ মন্ত্রী রাজবল্লভ অধিবাসী ছিলেন- ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের
 ৩৭। মিরন রায়দুর্লভকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেন- অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে
 ৩৮। নিজেকে দওলতের পূজারি বলে পরিচয় দেন- উমিচাঁদ
৩৯। স্থানীয় লোকজনের তৈরি লবণ ইংরেজরা তিন-চার আনা মণ দরে কিনে বিক্রি করে-দুই-আড়াই টাকা।
৪০। “ঈশ্বরের নামে প্রতিজ্ঞা করেছি, সর্বশক্তি নিয়ে চিরকালের জন্য আমি নবাবের অনুগামী।”- উক্তিটি- রায়দুর্লভের।
৪১।ইংরেজরা যাকে ঘুষ ‍দিয়ে চন্দননগর ধ্বংস করে- বেইমান নন্দকুমারকে
 ৪২। “আমাদের কার ও অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি।”- সংলাপটি করেছিলেন- মিরজাফর
 ৪৩। “একটু নুন জোগাড় হলেই কাচাঁ খাব বলে মুলোটা হাতে নিয়ে ঘুরছিলাম।” উক্তিটি করেন- রাইসুল জুহালা
 ৪৪। মিরন হল- মিরজাফরের পুত্র
৪৫। রবার্ট ক্লাইভ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর চাকরি নিয়ে ভারতবর্ষে আসেন- ১৭ বছর  বয়সে
 ৪৬। “চারদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।” সংলাপটি রায়দুর্লভ বলেন- মিরনকে উদ্দেশ্য করে
৪৭। খাজাঞ্চি ব্যক্তি বলতে বোঝায়- কোষাধ্যক্ষকে
৪৮। রমণীর ছদ্মবেশে মিরনের বাসগৃহে প্র্রবেশ করেন- ওয়াটস ও ক্লাইভ
৪৯। “ আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন,কাল আমাদের পথে বসাবেন না তা কি বিশ্বাস করা যায়?” রাজবল্লভকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন- ক্যাপ্টেন ক্লেটন
৫০।ওটাসনের পদমর্যাদা- ইংরেজ নৌবাহিনী প্রধান
৫১। ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে বর্তমানে বাংলাদেশের যে স্থানের নাম বেশিবার উল্লেখ হয়েছে- মতিঝিল
৫২। আলিবর্দি খাঁর কনিষ্ঠ কন্যা আমিনার স্বামির নাম- জয়েন উদ্দিন
৫৩।সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে অংশগ্রহণকারী অন্যতম বিশ্বস্ত ফরাসি সেনাপতি ছিলেন- সাঁফ্রে
৫৪। মিরজাফরের বিশ্বস্ত গুপ্তচর উমর বেগ জমাদরকে খুন করা হয়েছিল – মোহনলালের হুকুমে
৫৫। নবাবের পক্ষে পশ্চিম দিকে গঙ্গার ধারে  উঁচু স্থানে অবস্থান ছিল- বর্দি আলি খাঁর।
৫৬। পলাশি যুদ্ধের পূর্ব রাত্রে শলাপরামর্শের  জন্য সিরাজের শিবিরে উপস্থিত ছিলেন- মোহনলাল,মিরমর্দান।
৫৭। টুলের উপর দাঁড়িয়ে দুরবিন দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থা দেখার চেষ্টা করেন – নবাব নিজেই।
 ৫৮। নারায়ণ সিংহকে গুলি করে হত্যা করে – ক্লাইভ।
 ৫৯। নাটোরের মহারানি ভবানীর স্বামীর নাম- রাজা রামকান্ত রায়।
৬০। নাটোরের মহারানি ভবানী স্বনামধন্যা হয়ে আছেন- দীনদুঃখীরি দুর্দশা মোচন ও সমাজকল্যাণের জন্য।
৬১। নবাবের দুঃসময়ে নবাবকে সাহায্য করার সম্মতি জ্ঞাপন করেন- নাটোরের মহারানি ভবানী।
৬২।“আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন বিহার থেকে রামনারায়ণ, পাটনা তেকে ফরাসি বীর মসিয়ে ল।” সংলাপটি হল- নবাবের।
৬৩। কোথায় যেতে পারলে আবার প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবেবলে নবাব প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন- পাটনায়।
 ৬৪। শিখ ধর্মের অনুসারী ছিলেন- উমিচাঁদ।
৬৫। “long live Nabab Jafar Ali Khan”  সংলাপটি হল- ক্লাইভের।
৬৬। যুদ্ধে নবাব হেরে গেলে উমিচাঁদকে ক্লাইভ টাকা দেওয়ার কথা ছিল- ২০ লক্ষ টাকা।
৬৭। মিরজাফরকে সহায়তার বিনিময়ে ক্লাইভ আয়ের জমিদারি লাভ করে- বার্ষিক ৪ লক্ষ্য টাকা।
৬৮। মিরন নবাবকে হত্যা করার জন্য নিয়োগ করে-মোহাম্মদি বেগকে।
৬৯। মিরজাফর আলি খান সিরাজের মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করেছেন বলে নবাবকে জানায়- মিরন।
 ৭০। সিরাজের পিতা-মাতা শৈশবে পুত্রস্নেহে লালন-পালন করেছিলেন- মোহাম্মদি বেগকে।
৭১। মোহাম্মদি বেগ লাঠি ফেলে খাপ থেকে ছোরা খুলে সিরাজের শরীরের  আঘাত করল- পিঠে।
৭২। ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের কোন প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়কাল- ১৭৫৬ সালে ১৯ জুন
 ৭৩।“সিরাজউদ্দৌলা” নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যের শুরুতে সময় উল্লেখ্য আছে- ১৭৫৬ সালে ৩ জুলাই।
৭৪। “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়কান ও স্থান -১৭৫৭ সালোর ১০ মার্চ, নবাবের দরবার।

এইচ এস সি বাংলা ১ম পত্র সাজেশন ২০২০-ঢাকা বোর্ড


🎴লালসালু(সৃজনশীল প্রশ্ন ৯০% কমন প্রায়)

১🔴সমাজের বিভিন্ন স্তরে মানুষের অন্ধ বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে উঠা পীরপ্রথার সাথে মজিদের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।

২🔴"খালেক ব্যাপারীর মতো লোকদের সান্নিধ্য পেয়েই নিঃস্ব মজিদরা সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে"বাংলাদেশের আর্থসমাজিক প্রেক্ষাপটের আলোকে লিখ।

৩🔴"রতনে রতন চিনে' উক্তিটি যেন আওয়ালপুরের পীরসাহেব ও মহব্বত নগরের পীরসাহেব মজিদেরই প্রতিচ্ছবি।ব্যাখ্যা কর।প্রশ্ন প্রণয়ণে সহায়তা করেছেন ইউনিকেয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং পরিবার।

৪🔴"মজিদের অনুশোচনাবোধ আর জমিলার প্রতিশোধই  মজিদের সাম্রাজ্য ধ্বংস করতে যথেষ্ট" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

৫🔴"শিক্ষিত যুবক আক্কাস আর মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী জমিলার পদক্ষেপই পারে বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে"ব্যাখ্যা কর।প্রশ্ন প্রণয়ণে সহায়তা করেছেন ইউনিকেয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং পরিবার।

৬🔴"ধান দিয়ে কি হবে,যদি মানুষের জান না বাঁচে"স্বামী ভক্ত স্ত্রী রহিমার উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

🎴সিরাজউদ্দৌলা(সৃজনশীল প্রশ্ন ৯০% কমন প্রায়)
১🔴"প্রাসাদ ষড়যন্ত্রই সিরাজের পতনের প্রধান কারণ" উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

২🔴"দেশের অখন্ড রক্ষাতে মোহনলাল আর রায়দূর্লভদের বীরত্ব যুগ যুগ ধরে জাতি স্মরণ রাখবে"ব্যাখ্যা কর।

৩🔴বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পেছনে ঘসেটি বেগম ও মীরজাফরের ভূমিকা লিখ।প্রশ্ন প্রণয়ণে সহায়তা করেছেন ইউনিকেয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং পরিবার।

৪🔴"নির্যাতিত লবণ চাষির বক্তব্যেই ইংরেজদের ভয়াবহ শোষণ ও নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে"উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

৫🔴"মোহাম্মদী বেগ আর নারাণ সিং যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ'-ব্যাখ্যা কর।প্রশ্ন প্রণয়ণে সহায়তা করেছেন ইউনিকেয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং পরিবার।

৬🔴"অন্তিমকালে সিরাজের দুই হাত শক্ত করে আকড়ে ধরার মধ্যে কি তুমি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার সূর্য দেখতে পাও?"ব্যাখ্যা দাও।

Post a comment

0 Comments